1. pirojpurpost24@gmail.com : admin :
  2. shuvo.inseecement@gmail.com : Admin : Admin
  3. kumarshuvoroy@gmail.com : pirojpurpost :
  4. amitbiswas8900@gmail.com : Amit Biswas : Amit Biswas
  5. eshuvo1@gmail.com : shuvo roy : shuvo roy
চাকরিটা অধরাই থেকে গেল স্বরূপকাঠির মেধাবী মাহাদীর | পিরোজপুর পোষ্ট ২৪
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৭:৪২ অপরাহ্ন

চাকরিটা অধরাই থেকে গেল স্বরূপকাঠির মেধাবী মাহাদীর

  • শেষ হালনাগাদ : মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২১১ জন সংবাদটি দেখেছেন

হযরত আলী হিরু, স্বরূপকাঠিঃ পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি উপজেলার সোহাগদল ইউনিয়নের দক্ষিন সোহাগদল (শেখপাড়া) এলাকার সন্তান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক মেধাবী শিক্ষার্থী মাসুদ মাহাদী অপু।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে ভালো ফল নিয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে স্বপ্ন দেখেছিলেন, নতুন ধারার চলচ্চিত্র নির্মাণ করবেন। পরে সেখান থেকে সরে গিয়ে সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেন। বছর খানেকের অক্লান্ত প্রস্তুতির পর সম্প্রতি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় ভালো ফল করছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁর চাকরি পাওয়াটা অধরাই থেকে গেলো। সোমবার বিকেলে রাজধানীর চানখারপুল থেকে গলায় গামছা ঝুলানো অবস্থায় অপুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে চকবাজার থানা পুলিশ। মাহাদী অপু বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১১-১২ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি মাস্টার দা সূর্যসেন হলে থাকতেন। পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি উপজেলার সোহাগদল ইউনিয়নের শেখপাড়া এলাকার মো.হুমায়ুনের দুই ছেলের মধ্যে অপু বড়। মাস্টার্স শেষ করে অপু কিছুদিন সাংবাদিকতাও করেন। চাকরি ছেড়ে গত দেড় বছর ধরে বিসিএসের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তার রুমমেট জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা তিনজন এক রুমে থাকি। আমি এবং অন্যজন দারাজে কাজ করি। প্রতিদিনের মতো আমি আজও সকাল ৯টায় বাসা থেকে বের হয়ে যাই। ১০টার সময় অন্যজনও বাসা থেকে বের হয়ে যান। আমি যখন বাসা থেকে বের হই তখনও অপু ঘুমাচ্ছিল। দুপুরে অফিস শেষে বাসায় আসার পর দেখি দরজা বন্ধ। অনেকবার ফোন দিয়েছি। ফোন রিসিভ হয় না। দরজার উপরে একটি ছোট জানালা আছে, সেটি দিয়ে দেখি গামাছায় ঝোলানো। এরপর ৯৯৯ নাইনে ফোন দেই। আশেপাশের লোকজনকে ডেকে দরজা ভাঙি। ঘটনাস্থলে পুলিশের লালবাগ জোনের উপকমিশনার মো. জসীম উদ্দিন মোল্লা সাংবাদিকদের বলেন, ভবনটি আটতলা। এর তিনতলা পর্যন্ত বিভিন্ন অফিস। পাঁচতলা থেকে বাকি তলাগুলোতে ২৫০ জনের মতো বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী মেস করে থাকেন। যিনি মারা গেছেন, তাঁর কক্ষে তিনিসহ মোট তিনজন থাকতেন। অন্য দুজন কোনো একটি বেসরকারি চাকরি করেন, পাশাপাশি সরকারি বড় চাকরির চেষ্টা করছেন। সকালে তাঁরা কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। মাসুদ আল মাহাদী এখানে এসেছেন তিন মাস আগে। দুপুর ১২টার দিকে সর্বশেষ পাশের কক্ষের একজনের সঙ্গে তাঁর কথা হয়। দুইটার দিকে অন্য দুই রুমমেট ফিরে এলে দেখতে পান, কক্ষের ভেতর থেকে ছিটকিনি লাগানো। পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘মেসমেটদের বক্তব্য অনুযায়ী পরে তাঁরা অন্যদের ডাকেন। অন্যরা আসার পর দরজা ভেঙে তাঁরা ওই কক্ষে ঢোকেন। তাঁদের কাছে যখন মনে হয়, মাসুদ আল মাহাদী আর বেঁচে নেই, তখন তাঁরা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। বেলা ২টা ১০ মিনিটের দিকে আমরা খবর পেয়ে এখানে আসি। এখন সুরতহাল চলছে, পরে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গেও পাঠানো হবে। এরপর পরিষ্কার হবে যে তিনি ঠিক কীভাবে মারা গেছেন। তার ওপর ভিত্তি করে এবং আনুষঙ্গিক-পারিপার্শ্বিক সবকিছু দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাহাদী অপু ডাকসু আন্দোলন, শিক্ষার্থী নিপীড়ন বিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন কর্মসূচির অর্গানাইজার ছিল।

আরো সংবাদ
পিরোজপুর পোষ্ট ২৪ ডটকম - ২০১৮-২১। (অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের ছবি, ভিডিও ও সংবাদ কপি করা থেকে বিরত থাকুন)
Theme Customized By PIROJPURPOST24
কারিগরি সহায়তায়: Website-open
x