1. pirojpurpost24@gmail.com : admin :
  2. shuvo.inseecement@gmail.com : Admin : Admin
  3. kumarshuvoroy@gmail.com : pirojpurpost :
  4. amitbiswas8900@gmail.com : Amit Biswas : Amit Biswas
  5. eshuvo1@gmail.com : shuvo roy : shuvo roy
করোনায় ব্যবস্থাপক থেকে চায়ের দোকানি | পিরোজপুর পোষ্ট ২৪
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৭:৩২ অপরাহ্ন

করোনায় ব্যবস্থাপক থেকে চায়ের দোকানি

  • শেষ হালনাগাদ : রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১০৬ জন সংবাদটি দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিনিধি : পিরোজপুর শহরের বাইপাস সড়কে এলজিইডির সামনের একটি সড়কের পাশে দিয়েছেন ছোট্ট একটি চায়ের দোকান। দোকানটির নাম দিয়েছেন ‘টি কর্নার’। স্বামী ও স্ত্রী একি সাথে এই দোকানে কাজ করেন । আর দু দশটা চায়ের দোকানের মত এ চায়ের দোকানিকে দেখে বোঝার কোন উপায় নেই তিনি ঢাকার একটি পোশাক কারখানার মহাব্যবস্থাপক (জিএম) হিসেবে ছিলেন । উচ্চ শিক্ষিত পরিবার , একটা সময় ছিলো আর্থিকভাবে স্বচ্ছল । একমাত্র মেয়ে পড়েন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। কিন্তু করোনার দুঃসময় কেড়ে নিয়েছে তার সচ্ছল থাকার চাকরিটি।

করোনার কারণে ২০২০ সালে পোশাক কারখানাটি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকেই বেকার হয়ে পড়েন। পরিবার ও মেয়ের পড়াশোনার খরচ চালানোর জন্য পাড়ি জমান পিরোজপুরে। পড়াশোনার সুবাদে শহরটি আগেই পরিচিত ছিল। তাই দেড় হাজার টাকায় ভাড়া নেন পিরোজপুর শহরের বাইপাস সড়কের পাশে একটি ছোট ঝুপড়ি। এরপর দুই হাজার টাকার পুঁজি নিয়ে স্বামী-স্ত্রী মিলে সেখানে শুরু করেন চা বিক্রি। পরে চায়ের পাশাপাশি শুরু করেন রুটি ও ডাল-ভাজিও বিক্রি।

লোকটি জানান, করোনায় চাকরি চলে যাওয়ার পরও আমার কাছে যে টাকা ছিল, আমি তা দিয়ে সংসার চালিয়ে নিচ্ছিলাম। একটা সময় না পেরে নিজের এলাকায় চলে আসতে হলো। কিছু তো করে চলতে হবে, তাই এই ছোট চায়ের দোকান দিয়ে চালিয়ে নিচ্ছি। এখন দোকান ভালোই চলতেছে, ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।এভাবেই পেট চালাচ্ছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন আমাদের মতো যারা চাকরী হারা আছে তাদের দিকে একটু সদয় দৃষ্টি দিয়ে সহযোগীতা করে সাবলম্বী করার কোন সুযোগ যদি থাকে। আমি আমার এই অবস্থানের জন্য বিন্দু পরিমান মনোবল হারাইনি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস এবং আমি এই ছোট চায়ের দোকান থেকে বড় কিছু করার যোগ্যতা রাখি। তবে আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারনে আমি এটা করতে পারছি না। বিপদগ্রস্থ অবস্থায় ভেঙে পড়লে সে অবস্থা থেকে উত্তরন হওয়া যায় না। আমার মনোবল আছে, আমি আশা করি আমি আমার সেই আগের অবস্থানে ফিরতে পারব।সুযোগ পেলে আবার চাকরি করতে চান। তবে যত দিন কোনো চাকরি না পান, এই চায়ের দোকানটি ভালোভাবে চালাতে চান। তার মেয়ে পড়াশোনা শেষ করে চাকরি করবেন। তখন হয়তো আর চা বিক্রি করতে হবে না বলে স্বপ্ন দেখেন।

আরো সংবাদ
পিরোজপুর পোষ্ট ২৪ ডটকম - ২০১৮-২১। (অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের ছবি, ভিডিও ও সংবাদ কপি করা থেকে বিরত থাকুন)
Theme Customized By PIROJPURPOST24
কারিগরি সহায়তায়: Website-open
x