28 November- 2020 ।। ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ


এএসপি হত্যা মামলায় ১০ জনের ৭ দিনের রিমান্ড

পিরোজপুর পোষ্ট : সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আনিসুল করিমকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ১০ জনের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন- মাইন্ড এইডের মার্কেটিং ম্যানেজার আরিফ মাহমুদ জয়, কো-অর্ডিনেটর রেদোয়ান সাব্বির, শেফ মাসুদ, ওয়ার্ড বয় জোবায়ের হোসেন, তানিফ মোল্লা, সজীব চৌধুরী, অসীম চন্দ্র পাল, লিটন আহাম্মদ, সাইফুল ইসলাম পলাশ ও ফার্মাসিস্ট তানভীর হাসান।

রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করেন। তিনি বলেন, এটি একট হৃদয় বিদারক ঘটনা। ঘৃণিত অপরাধ। আসামিরা আনিসুল করিমকে চিকিৎসা না দিয়ে হত্যা করেছে। এভাবে করলে সাধারণ মানুষ কোথায় চিকিৎসার জন্য যাবে। এধরনের ঘটনা কোনোভাবে কাম্য নয়। আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুরের প্রার্থনা করছি।

আসামিদের পক্ষে ঢাকা বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মামুন, আবুল কালাম আজাদ, মাহমুদুল হাসান রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। তারা বলেন, ডাক্তার কোনো রোগীর শত্রু নয়। হাসপাতালটি মানসিক হাসপাতাল। আনিসুল করিমকে মানসিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়।  তিনি মাদকে আসক্ত ছিলেন। কেউ কাউকে মারতে পারে। যদি কোনো উদ্ভট পরিস্থিতি না হয়। মামলাটি হত্যা মামলা হওয়ার প্রশ্নই হয় না। তিনি পড়ে গিয়ে মারা গেছেন। এটি অন্য ধারায় মামলা হবে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

জানা যায়, পারিবারিক ঝামেলার কারণে আনিসুল মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। সোমবার (০৯ নভেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে আনিসুলকে মাইন্ড এইড হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালটিতে ভর্তির কিছুক্ষণ পরই কর্মচারীদের ধাস্তাধস্তি ও মারধরে তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ করে পরিবার। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ফাইজুদ্দীন আহম্মেদ বাদী হয়ে আদাবর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে মামলার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ সিসিটিভির ভিডিওতে দেখে , হাসপাতালে ঢোকার পরই আনিসুল করিমকে ৬ থেকে ৭ জন টেনে-হিঁচড়ে একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মাটিতে ফেলে চেপে ধরেন। হাসাপাতালের ব্যবস্থাপক আরিফ মাহমুদ তখন তাদের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। মাথার দিকে থাকা দুইজন হাতের কনুই দিয়ে আনিসুল করিমকে আঘাত করছিলেন।

এ সময় একটি কাপড়ের টুকরা দিয়ে আনিসুল করিমের হাত পেছনে বাঁধা হয়। চার মিনিট পর তাকে যখন উপুড় করা হয়, তখনই ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন তিনি।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করায় কর্মচারীরা তাকে শান্ত করার চেষ্টা করছিলেন। ঘটনার পর হাসপাতালের অ্যাগ্রেসিভ ম্যানেজমেন্ট রুমে তাকে মারধরের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।

নিহত আনিসুল করিম বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সহকারী কমিশনারে দায়িত্বে ছিলেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের ৩৩ ব্যাচের ছাত্র আনিসুল করিম ৩১তম বিসিএসে পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান। এক সন্তানের জনক আনিসুলের বাড়ি গাজীপুরে।




আরো সংবাদ




   

সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এস.রায়

  • অস্থায়ী অফিস : লইয়ার্স  প্লাজা , পিরোজপুর ।
  • যোগাযোগ : ০৯৬৩৮০৪৭৫৭৩
  • ইমেইল : pirojpurpost24@gmail.com
টপ
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করছে কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপিরা শেখ হাসিনার দুরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে সন্ধ্যা নদীর তীব্র ভাঙনের কবলে আমরাজুড়ী বাজার; ভাঙ্গনরোধে নদী তীরে অবস্থান কর্মসূচি ইন্দুরকানীতে নব গঠিত দুইটি ইউনিয়ন সহ চারটি ইউনিয়নের খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ বরিশাল বিএম কলেজের নতুন অধ্যক্ষ জিয়াউল হক আরো তিন মাস জামিনের মেয়াদ বাড়ল আউয়াল দম্পতির ভান্ডারিয়ায় বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদ্যোগে সেমিনার অনুষ্ঠিত ভান্ডারিয়ায় টেম্পু কেড়ে নিল কলেজ ছাত্রের প্রাণ কাউখালীতে ৫ কেজি গাঁজা সহ পিতা- পুত্র গ্রেফতার ক্ষমতা হস্তান্তরে রাজি ট্রাম্প